আজ: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, বৃহস্পতিবার, ১০ ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৭ জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী, সকাল ৭:১২
সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্য ভুঁড়ি বাড়ে যে চার কারণে

ভুঁড়ি বাড়ে যে চার কারণে


পোস্ট করেছেন: bhorerkhobor | প্রকাশিত হয়েছে: ১১/১০/২০১৭ , ১১:৩৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: স্বাস্থ্য


ভোরের খবর ডেস্ক- ভুঁড়ি কমানো বেশ কষ্টসাধ্য কাজ। শুধু যে মোটা হলেই ভুঁড়ি বাড়ে তা নয়, শরীরের অন্য কোথাও বিশেষ মেদ না জমলেও অনেকেই ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। আর ভুঁড়ি হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। আবার অনেক রোগেরও লক্ষণ ভুঁড়ি। তাই ভুঁড়ি বাড়তে দেখলেই অবিলম্বে কমিয়ে ফেলতে হবে। আরো ভালো ভুঁড়ি হতে না দেয়া। ভুঁড়ি বাড়ার জন্য দায়ী প্রধান চারটি কারণ। ফ্যাট কখনই আমাদের মোটা করে না, যদি তা এনার্জির উৎস হিসেবে শরীরে যথাযথ ব্যবহৃত হয়। তা না হলে ফ্যাটকে সঞ্চিত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না শরীরের।

ফ্যাটি এসিড পুড়িয়ে এনার্জি উৎপন্ন করার জন্য শরীরে প্রয়োজন কার্নিটিন ভিটামিন বি২। আমাদের শরীরের কোষে এই দুই উপাদানের অভাব হলে ফ্যাটি এসিড থেকে এনার্জি উৎপন্ন হয় না। যদি ফ্যাটি মেটাবলিজম ঠিকমতো না হওয়াই আপনার ভুঁড়ি হওয়ার কারণ হয়ে থাকে, তা হলে দুটো বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এক, চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ফ্যাট ঠিকমতো ঝরিয়ে ফেলা সম্ভব কিনা তা পরীক্ষা করাতে হবে। দুই, ফ্যাট খাওয়ার ধরণ বদলাতে হবে।

সামুদ্রিক মাছ, নারিকেল তেল, অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল, ঘিতে থাকা ফ্যাট শরীরে মেদ সঞ্চয় করে না। যারা ভুঁড়ির সমস্যায় ভুগছেন তাদের অনেকেরই ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়া, অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়। এগুলোর বেশির ভাগেরই কারণ ক্ষুদ্রান্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ। মানুষের পৌষ্টিকনালিতে এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া থাকে, যা মুখ ও বৃহদন্ত্রের জন্য জরুরি। সেই ব্যাকটেরিয়াই যদি পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে ছড়িয়ে পড়ে তা হলে এই সমস্যাগুলো হতে পারে। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও পাকস্থলীর এসিডের ঘাটতির জন্য এমনটা হয়ে থাকে। ক্ষুদ্রান্ত্রে থাকাকালীন এই ব্যাকটেরিয়া খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ শুষে নেয়। ফলে রক্তে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছায় না।

যদি আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও ভুঁড়ি কমাতে না পারেন, তা হলে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিন ব্যাকটেরিয়ার কারণে এমনটা হচ্ছে কিনা। হরমোনে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সমস্যা সারা বিশ্বেই দেখা যায়। কখনো অ্যাড্রিনালিন, কখনো সেক্স হরমোন, কখনো বা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। যে কারণে ডায়াবেটিস, থাইরেয়ড, বন্ধ্যত্ব, পলিসিস্টিক ওভারি বা অ্যাড্রিনাল ফেটিগের কারণে ভুঁড়ি বাড়ার সমস্যা দেখা যায়। হরমোন আমাদের শরীরের কোষের মেটাবলিজম প্রক্রিয়া, কোষের কর্মক্ষমতা, এনার্জি উৎপন্ন করা, ফ্যাট সঞ্চয়ের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। যেহেতু কোনো হরমোন কখনই একা কাজ করে না, একটার সঙ্গে আর একটা গভীর সম্পর্কযুক্ত, তাই কোনো হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে অন্য গুলোরও কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটে। তাই হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে ওজনের সমস্যা হবেই। ডা

য়াবেটিস, ওবেসিটি, থাইরেয়ড ডিসফাংশন, যে কোনো ক্ষেত্রেই ভুঁড়ি কমানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। প্রসেসড ফুডের মধ্যে খুব বেশি পরিমাণ রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ও সুগার থাকে যা রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সুগার যদি রক্তে চলে আসে এবং এনার্জি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত না হয় তা হলে তা শরীরে ফ্যাট হিসেবে সঞ্চিত হবেই। আনন্দবাজার পত্রিকা

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Pin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Tumblr0Email this to someonePrint this page

Comments

comments

Close