আজ: ২৪ মে, ২০১৮ ইং, বৃহস্পতিবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৯ রমযান, ১৪৩৯ হিজরী, রাত ২:৩৪
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান সংবাদ, রাজনীতি জীবনের প্রথম মুজিব কোট পরেই মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

জীবনের প্রথম মুজিব কোট পরেই মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার


পোস্ট করেছেন: niher sarkar | প্রকাশিত হয়েছে: ০১/০২/২০১৮ , ১২:০৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: প্রধান সংবাদ,রাজনীতি


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মন্ত্রিসভা রদবদল বা সম্প্রসারণের আলোচনা ছিল গত বছর জুড়েই। নতুন বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বঙ্গভবনে তিন মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নতুন মন্ত্রিসভায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার যুক্ত হয়েছেন। জীবনের প্রথম মুজিব কোট পরেই তিনি মন্ত্রী হয়েছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনীতির অন্দরে-বাহিরে চলছে নানা আলোচনা।

ইতিমধ্যে তিন মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে তাদের কে কোন দফতর পাচ্ছেন- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, বুধবার নতুন চার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দফতর বণ্টন করা হবে।

সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, শপথ নেওয়া চার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মন্ত্রিসভার নতুন সদস্য লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামালকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বারকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

এদিকে, রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী কেরামত আলীকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়ালেও মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে একেএম শাহজাহান কামাল বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনও কোনো কাগজ পাইনি। আগামী একবছর বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। এলাকা এবং মন্ত্রণালয় স্বাভাবিকভাবে সামলানোর চেষ্টা করবো।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হয়। তখন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসিকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়।

আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তারানা হালিম ও লালমনিরহাট-২ এর সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদ।

আর ওই বছরের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দফতরবিহীন করা হয়। পরে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী করা হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে।

Share on Facebook0Tweet about this on TwitterShare on Google+0Pin on Pinterest0Share on LinkedIn0Share on Tumblr0Email this to someonePrint this page

Comments

comments

Close