সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান সংবাদ, রাজনীতি খালেদা জিয়াকে কোন আইনে আটক রাখা হয়েছে, জানতে চাই: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়াকে কোন আইনে আটক রাখা হয়েছে, জানতে চাই: মির্জা ফখরুল


পোস্ট করেছেন: bhorerkhobor | প্রকাশিত হয়েছে: 09/07/2018 , 7:37 am | বিভাগ: প্রধান সংবাদ,রাজনীতি


‘জিয়াউর রহমানের সময় কর্নেল তাহেরকে কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচার করা হয়েছিল’ প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের এধরনের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তখন মার্শাল ল’ ছিল।

শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কোন আইনে আটক রাখা হয়েছে, আমরা সেটা জানতে চাই। এতো ভয় কেনো, কারণটা বুঝি না। সব সময়তো বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল বিকেলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারা জানিয়েছেন যে, দেশনেত্রী অত্যন্ত অসুস্থ। তার বাম হাত ও বাম পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। অসহ্য ব্যথা অনুভব করছেন তিনি। একই কথা তিনি বলেছেন ৫ তারিখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত বেআইনি আদালত কক্ষে। তিনি আরও বলেছেন যে, তার কোনো চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা অত্যান্ত উদ্বিগ্ন তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁকে মিথ্যা সাজানো মামলায় শাস্তি দিয়ে কারাগারে বেআইনিভাবে আটক রেখে তাকে হত্যা করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সংবিধান এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো অসুস্থ নাগরিককে সুস্থ না হলে বিচারকার্য চালানো যায় না। এটা সম্পূর্ণ অমানবিক এবং সংবিধান পরিপন্থি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অবদান যারা অস্বীকার করতে চান তারা কেউই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলে আমরা মনে করি না। সরকার তাকে শাস্তি দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।’

ফখরুল বলেন, ‘এটা এখন স্পষ্ট যে, দেশনেত্রীকে রাজনীতি থেকে এবং আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে একতরফাভাবে নির্বাচনে নিজেদের নির্বাচিত ঘোষণা করার নীল নকশা নিয়েই এই অপপ্রয়াস চালাচ্ছে সরকার। এই গণবিরোধী সরকার নিশ্চিত হয়েছে যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বিপন্ন হবে এবং আগামী নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হতে বাধ্য।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে বেগম জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় সকল দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। বিশেষ করে সংবিধান লঙ্ঘন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাদের অভিযুক্ত হতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।

সূত্র- পূর্বপশ্চিম

Comments

comments

Close